
রোজকার ধুলা ময়লার কারণে দাড়িতে অনেক জীবাণু লেগে থাকে। এসব জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা পেতে দাড়ির নিয়মিত যত্ন নেয়া প্রয়োজন।
অ্যালোভেরা জেল: অ্যালোভেরা জেল এনজাইমের অন্যতম উৎস। এটি ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর করে এবং ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। একটি তুলোর বলে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে সেটি মুখ এবং ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। এরপর ১২-২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
ট্রিমিং: দাড়ি বৃদ্ধি করতেও ট্রিমিংয়ের প্রয়োজন আছে। নিয়মিত দাড়ি ছাঁটুন। নিজে করতে না চাইলে সেলুনে যেয়ে দাড়ি কাটতে পারেন। প্রতি দুই মাসে একবার দাড়ি ছাঁটা প্রয়োজন।
পরিষ্কার রাখা: দাড়িকে চুলের মত নিয়মিত পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। খাওয়ার পর প্রতিবার দাড়ি পরিষ্কার করুন। প্রতিদিন হাজারখানেক মৃত কোষ আমাদের ত্বকে জমা হয় যা দাড়িতে এসে জমা হয়। যা থেকে দাড়িতে চুলকানি সৃষ্টি হয়।
শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনিং: দাড়ি পরিষ্কার করার জন্য গায়ে ব্যবহার করা সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ভাল মানের টক্সিন ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে দাড়ি পরিষ্কার করুন। তারপর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি দাড়ি নরম রাখতে সাহায্য করবে।
ময়েশ্চারাইজড রাখা: দাড়িতে বিয়ার্ড ওয়েল বা নারকেল তেল লাগিয়ে নিন, তারপর একটি টাওয়েলটি কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার টাওয়েলটি দাড়িতে কিছুক্ষণ রাখুন। আবার গরম পানিতে টাওয়েলটি ভিজিয়ে দাড়িতে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। এভাবে ৩০ মিনিট করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে দাড়ি ধুয়ে ফেলুন। বিয়ার্ড অয়েলের পরিবর্তে আমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।