স্বপ্নের বাংলাদেশ ডেস্ক ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৪৭
এ সময় ট্রাভেলস ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা, বিমানের রিয়াদ-ঢাকা রুটে সিডিউল জটিলতা, কার্গো সেকশনের অনিয়ম, এয়ারপোর্টে যাত্রী হয়রানিসহ বিমানের নানান সমস্যার কথা চেয়াম্যানের কাছে তুলে ধরা হয়। জবাবে এ সকল সমস্যা সমাধানে বিমানের উদ্যোগে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদেরকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভায় বিমানের সৌদি আরব রিয়াদ জোনের জিএসএ সৌদি নাগরিক মোহাম্মদ আল জুমাইয়া, সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বশির, আরটিভির রিয়াদ প্রতিনিধি ও সৌদি আরব সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন লিটন, সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের দপ্তর সম্পাদক ও সময় টিভির সৌদি আরব প্রতিনিধি আরিফুর রহমান, কুল ট্রাভেলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সারওয়ার আপেল, আরিফুর রহমান, মামুন, আসফার ট্রাভেলস্ ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম, বিমানের রিজিওনাল ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ভূইযা, বিমানের রিয়াদ রিজিওনাল অফিস ফাইন্যান্স ম্যানেজার ইরশাদ রাফি তুহিন, স্টেশন ম্যানেজার রফিকুর রহমান, বিমানের সহকারী ষ্টেশন ম্যানেজার মতিউর রহমান, বিমানের ট্রাভেল কাউন্সিলর সোহেল আহমেদ, তানভীর হোসেন, আশফাক হোসেন, বিমানের রিয়াদ ষ্টেশন বোর্ডিং কাউন্টার প্রতিনিধি নাসির, লাগেজ কাউন্টার প্রতিনিধি সোলাইমান, অফিস সহকারী আলাউদ্দিনসহ রিয়াদ জোনের বিভিন্ন ট্রাভেলস এজেন্সির প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিমানের ট্রাভেলস্ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এ সময় বিমানের নানা অনিয়মের অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিমানের উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে আহ্বান জানান। তারা বলেন, বিমানের হাই সিজনে টিকেট পাওয়া যায়না এ সময় আগে থেকেই সিডিউল নিয়ে রিয়াদ-ঢাকা রুটে সপ্তাহে অন্তত দুটি এক্সট্রা বিমান অপারেট করা হলে প্রবাসী যাত্রীরা বিমানে ভ্রমন করার সুযোগ পাবে।
এছাড়া বিমান বাংলাদেশ রিয়াদ-ঢাকা রুটের সফলতার জন্য বিক্রয় প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়।
সৌদি আরবের রিয়াদ-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশকে আরো লাভজনক এবং যাত্রীদের কাছে আকর্ষণীয় করার জন্য অন্যান্ন কার্যক্রমের পাশাপাশি উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো কার্যকর করলে বিমান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীক সফলতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
তাদের মতে, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের টিকেটে- জেদ্দা রুটের মত রিয়াদ রুটেও ৫০ কেজি পর্যন্ত বুকিং লাগেজ করতে হবে। বর্তমানে যা ৪৫ কেজি দেওয়া আছে। এছাড়া বিমানের একটি করে ব্যাগ অতিরিক্ত নেওয়ার সুযোগ আছে ৩৫০ রিয়ালের বিনিময়ে, এই সুবিধাটি সারা বছর চালু রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তারা এবং এই সুবিধাটি ট্রাভেল এজেন্ট কর্তৃক বা অনলাইনে ভিসা কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা করা হলে এয়ারপোর্টে যাত্রীদের এক্সট্রা ব্যাগেজ কাউন্টারে গিয়ে দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়াতে হবে না। এতে এয়ারপোর্টে যাত্রীদের জটিলতা কমবে। তারা জানান, বর্তমানে সৌদি এয়ার লাইন্সসহ অনেক বিমানে এই সুবিধা বিদ্যমান আছে।
এছাড়া বিমানে এডভান্স পেইড সিট বুকিং চালু করতে হবে, এতে বিমান টিকেট কেনার সময় যাত্রীরা তদের পছন্দ অনুযায়ী ফি দিয়ে সিট বুকিং করতে পারবে। রিয়াদ সৌদি আরবের রাজধানী হওয়ায় এখানে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের তথা বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগের প্রবাসী অধিক সংখ্যক। এজন্য সপ্তাহে একটি বা দুটি প্লাইট রিয়াদ-চট্টগ্রাম রুটে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই রুটও লাভজনক হবে বিমানের জন্য। বিমানের লয়ালিটি কার্ডের প্রমোশন প্রচারণা করা হলে সাধারণ যাত্রীরা বিমান ভ্রমনে উৎসাহী হবে।
তবে যাত্রীদের পাশাপাশি বিমানের টিকেট বিক্রয় প্রতিনিধিরা তাদের প্রাপ্য এক্স ক্লাসের টিকেটে যথাপযুক্ত সম্মান ও ব্যাগেজ বৃদ্ধির জন্য দাবী জানিয়েছেন।প্রধান সম্পাদকঃ মোহাম্মদ আবুল বশির
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মনির হোসেন
বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ ৩৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫
মোবাইলঃ +৮৮ ০১৮১৩ - ৮১৮৬৯৬
ফোনঃ +৮৮ ০২ - ৫৫০১৩৯৩৯
ইমেইলঃ shwapnerbd@gmail.com